
চট্টগ্রাম নগর পুলিশের বায়েজিদ বোস্তামী থানার সাবেক ওসি মো. শামসুল ইসলাম। অনিয়ম ও ঘুষ লেনদেনের মাধ্যমে হয়েছেন অঢেল সম্পদের মালিক।হালিশহর থানার ঈদগাঁও মধ্যম রামপুর এলাকায় তার স্ত্রীর নামে রয়েছে জায়গাসহ ৬ তলাবিশিষ্ট ভবন।তার গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুরেও নামে-বেনামে জায়গা ও জমির খোঁজও মিলেছে।
২০২১ সালে ওসি শামসুলের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২।দুদকের তদন্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এর এক কর্মকর্তা।বর্তমানে শামসুল ইসলাম ফেনী জেলার বিশেষ শাখায়(ডিএসবি)কর্মরত রয়েছেন।২০০৮ সালে তিনি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে বায়েজিদ বোস্তামী থানায় কর্মরত ছিলেন।
২০১৪ সালে বোয়ালখালী থানা সহ সর্বশেষ ২০১৫ সালের দিকে সন্দ্বীপ থানায় দায়িত্ব পালন করেন।২০১৮ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লার চান্দিনা থানায় ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মো. শামসুল ইসলাম।
সরেজমিনে দেখা যায়,হালিশহর থানার মধ্যম রামপুর এলাকায় প্রায় ১২ শতাংশ জায়গায় একটি সাড়ে ছয়তলার বাড়ি রয়েছে ওসি শামসুল ইসলামের স্ত্রীর নামে।সড়কের পাশে মনোমুগ্ধকর ডিজাইনে করা পুরো বাড়ি।বর্তমানে যার বাজারমূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা।
দুদকের তদন্তের বিষয়ে জানতে চাইলে মো.শামসুল ইসলাম বলেন,‘বেশ কিছুদিন আগে তারা(দুদক)খোঁজ খবর নিয়েছিল।তাদেরকে এসব বলেছি। বাড়িটি আমার স্ত্রীর নামে।ব্যাংক থেকে এক কোটি টাকা লোন নিয়ে করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘২০০৮ সালে বায়েজিদ বোস্তামী থানাসহ চট্টগ্রামে বেশ কয়েকটি থানায় দায়িত্ব পালন করেছি।বর্তমানে ফেনীর ডিসএসবিতে কর্মরত রয়েছি।’
চট্টগ্রাম প্রতিদিন থেকে কপি করা হয়েছে নিউজ টি।