
প্রেয়ার নদ
কবিতা জাহান কলি
সুরমা উৎকটে সমভিব্যাহারী পেয়ার নদী দুগ্ধ
আজ অবলোকন মাত্র রোষারক্ত নয়ন অবরুদ্ধ।
স্নেহের মায়াবী লতায় প্রীতি প্রফুল্ল লোচন
নলকে সূত্র ধরিয়া করিত মৌনাবলম্বন।
পিপাসার কাতরে ব্রাহ্মণ করিত সম্ভাষণ
দোডালা পাতিয়া নদী দিত তার আসন।
তৃষ্ণাতপ্ত হৃদয় জুড়াত হায়,শত প্রবচন
বীনা অভিরুচিতে সে নিত করিয়া আপন।
আতঙ্কের ভীতে সে দাঁড়াতো অবিরুদ্ধন
অতিক্রম করিয়া মোরে তবে ছুয়ো বন্ধুর প্রাণ-মন।
সন্ধায় ঠাকুরদিদি প্রভাতে খাদ্যোতী প্রহরে প্রপিতাময়ী নিশিতে বাজ্ঞমতি
অপরুপ লাগিত নদী অবগুণ্ঠনবর্তী এয়োগন পরিমল তীরতার্থী।
নেত্র পল্লব ভীষণ অসহায়ী চাওয়ারী কাতন,
বন্ধু হ্মনিকেই ভুলে গেলি ভোগতেছি কতোনা যাতন।
স্বর্থকে আহারে চালিয়া সমাদর করেছো ভান,
বিজন মূর্তি কুজন আজ ব্যাথারপ ভীষণ।
ভুলিয়া গেলিরে বন্ধু শুল্ক দ্বাদশী কল্লোল,
ভুকে পাহাড় তুলিয়া মোরে হতি উলঙ্খন।
জমির উর্বরতায় আমাকে ব্যাবহার করিয়া
প্রতিদান ওহে বন্ধু কৃতঘ্ন করছ তেরিয়া।
তবুও চাহি নহে কিছু করিবার দাবি
শরশয্যা বন্দোবস্ত প্রাণটা নাহি খাবি।