০২:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সন্দ্বীপে সাংবাদিক নিগ্রহের ঘটনায় প্রেস ক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ।

Reporter Name
  • Update Time : ০২:২৯:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • / 7
Print

সন্দ্বীপে সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন মনিকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং জোরপূর্বক ইয়াবা হাতে ধরিয়ে দিয়ে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করার অভিযোগে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সন্দ্বীপ প্রেস ক্লাব।

শনিবার(২৯ আগস্ট)সন্দ্বীপ প্রেস ক্লাবের সহকারী সম্পাদক ও বিজয় টিভির প্রতিনিধি ইসমাইল হোসেন মনিকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশিত একটি পোস্ট ও ভিডিওকে কেন্দ্র করে বিষয়টি সামনে আসে।প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়,গত ২০ আগস্টের ঘটনার ভিডিও বার্তাও তারা দেখেছেন।

প্রেস ক্লাবের বিবৃতিতে বলা হয়,ইসমাঈল হোসেন মনিকে জোরপূর্বক রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং তার ব্যাগে নেশাদ্রব্য রেখে সেবনের স্বীকারোক্তি দেওয়ার মতো কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে।তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছে সংগঠনটি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়,সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন মনি কোনো অপরাধ করে থাকলে প্রচলিত আইনে তার বিচার হওয়া উচিত।কিন্তু তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন বা অপমানজনক আচরণ করা হয়ে থাকলে,সেই ঘটনারও সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা,নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষার দাবিতে আগামীকাল রোববার(৩০ আগস্ট)দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে সন্দ্বীপ প্রেস ক্লাবের সামনে জরুরী সভার আহ্বান করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়,গত ২০ আগষ্ট ইসমাইল হোসেন মনিকে কিছু লোক জোর করে উঠিয়ে নিয়ে যায়।নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে তারা ইসমাঈল হোসেন মনিকে মারধর করে এবং জোর পূর্বক তার ব্যাগের ভিতরে ৪ পিছ ইয়াবা দিয়ে ভিডিও ধারণ করেন।শর্ত দেয় যদি কোন প্রকার নিউজে যায় তাহলে তার এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করে দিবে।

এক পর্যায়ে ঘটনাটি জানতে পেরে সন্দ্বীপ প্রেসক্লাবে সভাপতি,সাধারণ সম্পাদক ও দপ্তর সম্পাদক মিলে ইসমাইল হোসেন মনিকে উদ্ধার করতে যায়।এবং উদ্ধার করে নিয়ে আসে।কিন্তু মান সম্মান এবং রাজনৈতিক ঝামেলায় না যেতে ইসমাইল হোসেন মনি বিষয়টি নিয়ে মামলা করেন নাই।

কিন্তু হঠাৎ নয়দিন পর জোর পূর্বক ধারণকৃত ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করে দেওয়া হয়।আর তাই মুখ খুলেছেন ইসমাইল হোসেন মনি।

তিনি এক ভিডিও বার্তায় বলেন,আমি ঘটনা না বাড়াতে এতদিন চুপচাপ ছিলাম কিন্তু আজ যখন জোর পূর্বক নেওয়া ভিডিওটি তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়েছে আমি আর চুপ করে বসে থাকবো না।আমি ওইদিন সন্দ্বীপ থানার ওসিসহ সন্দ্বীপ উপজেলার বিএনপির নেতাদেরকে বিষয়টি অবগত করেছিলাম।

আমি বিচার চাই কেন তারা আমাকে অপহরণ করলো,কেন তারা মারধর করলো,কেন তারা আমার ব্যাগে ইয়াবা দিয়ে ভিডিও করতে বাধ্য করলো আমি সব কিছুর বিচার চাই।

এছাড়া ভিডিও বার্তায় তিনি আরো বলেন,এগুলো নোংরা রাজনীতি,আমি সন্দ্বীপে থাকতে হবে বলে ওইদিন যায় করেছে সব মেনে নিয়েছি কিন্তু আর চুপ থাকবো না।আমি আমার উপর হামলার বিচার চাই।

Please Share This Post in Your Social Media

সন্দ্বীপে সাংবাদিক নিগ্রহের ঘটনায় প্রেস ক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ।

Update Time : ০২:২৯:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
Print

সন্দ্বীপে সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন মনিকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং জোরপূর্বক ইয়াবা হাতে ধরিয়ে দিয়ে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করার অভিযোগে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সন্দ্বীপ প্রেস ক্লাব।

শনিবার(২৯ আগস্ট)সন্দ্বীপ প্রেস ক্লাবের সহকারী সম্পাদক ও বিজয় টিভির প্রতিনিধি ইসমাইল হোসেন মনিকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশিত একটি পোস্ট ও ভিডিওকে কেন্দ্র করে বিষয়টি সামনে আসে।প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়,গত ২০ আগস্টের ঘটনার ভিডিও বার্তাও তারা দেখেছেন।

প্রেস ক্লাবের বিবৃতিতে বলা হয়,ইসমাঈল হোসেন মনিকে জোরপূর্বক রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং তার ব্যাগে নেশাদ্রব্য রেখে সেবনের স্বীকারোক্তি দেওয়ার মতো কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে।তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছে সংগঠনটি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়,সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন মনি কোনো অপরাধ করে থাকলে প্রচলিত আইনে তার বিচার হওয়া উচিত।কিন্তু তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন বা অপমানজনক আচরণ করা হয়ে থাকলে,সেই ঘটনারও সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা,নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষার দাবিতে আগামীকাল রোববার(৩০ আগস্ট)দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে সন্দ্বীপ প্রেস ক্লাবের সামনে জরুরী সভার আহ্বান করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়,গত ২০ আগষ্ট ইসমাইল হোসেন মনিকে কিছু লোক জোর করে উঠিয়ে নিয়ে যায়।নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে তারা ইসমাঈল হোসেন মনিকে মারধর করে এবং জোর পূর্বক তার ব্যাগের ভিতরে ৪ পিছ ইয়াবা দিয়ে ভিডিও ধারণ করেন।শর্ত দেয় যদি কোন প্রকার নিউজে যায় তাহলে তার এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করে দিবে।

এক পর্যায়ে ঘটনাটি জানতে পেরে সন্দ্বীপ প্রেসক্লাবে সভাপতি,সাধারণ সম্পাদক ও দপ্তর সম্পাদক মিলে ইসমাইল হোসেন মনিকে উদ্ধার করতে যায়।এবং উদ্ধার করে নিয়ে আসে।কিন্তু মান সম্মান এবং রাজনৈতিক ঝামেলায় না যেতে ইসমাইল হোসেন মনি বিষয়টি নিয়ে মামলা করেন নাই।

কিন্তু হঠাৎ নয়দিন পর জোর পূর্বক ধারণকৃত ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করে দেওয়া হয়।আর তাই মুখ খুলেছেন ইসমাইল হোসেন মনি।

তিনি এক ভিডিও বার্তায় বলেন,আমি ঘটনা না বাড়াতে এতদিন চুপচাপ ছিলাম কিন্তু আজ যখন জোর পূর্বক নেওয়া ভিডিওটি তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়েছে আমি আর চুপ করে বসে থাকবো না।আমি ওইদিন সন্দ্বীপ থানার ওসিসহ সন্দ্বীপ উপজেলার বিএনপির নেতাদেরকে বিষয়টি অবগত করেছিলাম।

আমি বিচার চাই কেন তারা আমাকে অপহরণ করলো,কেন তারা মারধর করলো,কেন তারা আমার ব্যাগে ইয়াবা দিয়ে ভিডিও করতে বাধ্য করলো আমি সব কিছুর বিচার চাই।

এছাড়া ভিডিও বার্তায় তিনি আরো বলেন,এগুলো নোংরা রাজনীতি,আমি সন্দ্বীপে থাকতে হবে বলে ওইদিন যায় করেছে সব মেনে নিয়েছি কিন্তু আর চুপ থাকবো না।আমি আমার উপর হামলার বিচার চাই।