১২:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সন্দ্বীপে ইউপি দীঘিতে সকালে উপজেলা প্রশাসনের সাইনবোর্ড,বিকেলেই ভেঙে ফেলল দুর্বৃত্তরা।

Reporter Name
  • Update Time : ০২:৩৭:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 5

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

Print

সন্দ্বীপের গাছুয়া ইউনিয়ন পরিষদের একটি দীঘি নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দীঘিটিকে ‘খাস পুকুর’ ঘোষণা করে সাইনবোর্ড স্থাপনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেটি ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,গাছুয়া ইউনিয়ন পরিষদের ওই দীঘিটি সাবেক চেয়ারম্যান আবু হেনা নিয়মবহির্ভূতভাবে কয়েক বছরের জন্য ইজারা দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।ইজারার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে দীঘিটি দখলে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে— এমন অভিযোগও রয়েছে স্থানীয়দের।

 

এ অবস্থায় বুধবার(২ সেপ্টেম্বর)সকালে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দীঘিটির পাশে ‘খাস পুকুর’ উল্লেখ করে একটি সরকারি সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়।তবে বিকেল না গড়াতেই দুর্বৃত্তরা সাইনবোর্ডটি ভেঙে ফেলে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।সরকারি সম্পত্তি ও সরকারি নির্দেশনাসংবলিত সাইনবোর্ড ভাঙার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন বলেন, “সার্বজনীন সম্পত্তি নষ্ট করা ও সরকারি সাইনবোর্ড ভাঙা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

সন্দ্বীপে ইউপি দীঘিতে সকালে উপজেলা প্রশাসনের সাইনবোর্ড,বিকেলেই ভেঙে ফেলল দুর্বৃত্তরা।

Update Time : ০২:৩৭:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Print

সন্দ্বীপের গাছুয়া ইউনিয়ন পরিষদের একটি দীঘি নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দীঘিটিকে ‘খাস পুকুর’ ঘোষণা করে সাইনবোর্ড স্থাপনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেটি ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,গাছুয়া ইউনিয়ন পরিষদের ওই দীঘিটি সাবেক চেয়ারম্যান আবু হেনা নিয়মবহির্ভূতভাবে কয়েক বছরের জন্য ইজারা দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।ইজারার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে দীঘিটি দখলে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে— এমন অভিযোগও রয়েছে স্থানীয়দের।

 

এ অবস্থায় বুধবার(২ সেপ্টেম্বর)সকালে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দীঘিটির পাশে ‘খাস পুকুর’ উল্লেখ করে একটি সরকারি সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়।তবে বিকেল না গড়াতেই দুর্বৃত্তরা সাইনবোর্ডটি ভেঙে ফেলে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।সরকারি সম্পত্তি ও সরকারি নির্দেশনাসংবলিত সাইনবোর্ড ভাঙার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন বলেন, “সার্বজনীন সম্পত্তি নষ্ট করা ও সরকারি সাইনবোর্ড ভাঙা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”