অনিয়মের অভিযোগে ওএসডি হলেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন।
- Update Time : ০২:৪৬:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
- / 11

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওএসডি)করে মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বদলি করা হয়েছে।একইসঙ্গে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ সাজেদুর রহমানকে চলতি দায়িত্বে চট্টগ্রামের নতুন সিভিল সার্জন হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
বুধবার(১৯ আগস্ট)স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের পার-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। যুগ্মসচিব সাইফুল ইসলামের সই করা প্রজ্ঞাপনে জনস্বার্থে এ আদেশ জারির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে,বদলি করা কর্মকর্তাদের আগামী ২৪ আগস্টের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান না করলে ২৫ আগস্ট থেকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত(স্ট্যান্ড রিলিজ)বলে গণ্য হবেন তারা।
২০২৪ সালের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ডা. জাহাঙ্গীর আলমকে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন হিসেবে পদায়ন করা হয়।তার দায়িত্বপালনকালে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের অধীনে স্বাস্থ্য সহকারীসহ ১৭১টি পদে নিয়োগ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল।
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলায় গেলো বছরে PHD(Partners In Health And Development)কর্তৃক বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক ও ইউনিসেফ এর কারিগরি সহযোগিতায় ISO প্রকল্পের অধীনে সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ৬ টি পদে ১৫ জন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।নিয়োগ শর্তে সন্দ্বীপের প্রকৃত স্থায়ী বাসিন্দাদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়ার কথা উল্লেখ থাকলেও ১৫ জনের ৯ জনই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে অন্য উপজেলা ও অন্য জেলা থেকে।এমনকি ৬ জনের বাড়িই সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলমের এলাকার।
এবিষয় নিয়ে গ্লোবাল টেলিভিশনের সন্দ্বীপ প্রতিনিধি রিয়াদুল মামুন সোহাগের ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে দেওয়া হয় বিভাগীয় তদন্ত।রিয়াদুল মামুন সোহাগ সরাসরি উপস্থিত হয়ে অবৈধ নিয়োগের সম্পূর্ণ প্রমাণপত্র জমা দেন।দীর্ঘ ৩ মাস চলা তদন্তের পর গতকাল এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর আগে,সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে সিভিল সার্জনের নাম ব্যবহার করে অর্থ আদায়ের অভিযোগ ওঠে।অভিযোগ জানাজানি হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে কার্যালয়ের ভেতরে আপস-মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া চট্টগ্রামের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন নিয়েও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগ ছিল।












