চট্টগ্রামে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যতিক্রমী গণশুনানি।
- Update Time : ০৭:২৭:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
- / 1

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের ব্যর্থতা এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে ব্যতিক্রমী জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি ও গণশুনানির আয়োজন করেছেন হাশমিরা হায়দার চৌধুরী।
‘মশা বড় নাকি মেয়র বড়?’—চট্টগ্রামে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যতিক্রমী গণশুনানি শুক্রবার(৯ অক্টোবর)বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করা হয়।
এ সময় পথচারীদের অংশগ্রহণে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ডেঙ্গু পরিস্থিতি, মশক নিধন কার্যক্রম এবং নগরবাসীর দুর্ভোগ নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন সাধারণ মানুষ।
গণশুনানিতে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সিটি করপোরেশনের কার্যক্রম নিয়ে ক্ষোভ ও সমালোচনা প্রকাশ পায়।এ সময় ‘মশা বড় নাকি মেয়র বড়?’ এমন প্রশ্ন তুলে ব্যঙ্গাত্মক স্লোগান দেওয়া হয়।মেয়র শাহাদাত হোসেনকে উদ্দেশ করে ‘শাহাদাত নিজেই বড় মশা’ বলেও মন্তব্য করা হয়।পাশাপাশি মশক নিধনে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ব্যবহারের অভিযোগ তুলে বলা হয়, এ কারণে মশা মরছে না।তবে ওষুধের মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার অভিযোগটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন জুলাইযোদ্ধা সাদিয়া আফরিন,তানিয়া আমিন ও আব্দুল্লাহ আল মামুন।
এসময় আয়োজক হাশমিরা হায়দার চৌধুরী বলেন, ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ,মশার প্রজননস্থল ধ্বংস,নিয়মিত মশক নিধন অভিযান এবং নগরীর পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা জরুরি।শুধু প্রচার-প্রচারণা নয়,ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন কার্যকর পরিকল্পনা,মানসম্মত ওষুধের ব্যবহার এবং নিয়মিত তদারকি।
তাঁরা আরও বলেন,নগরবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।মশক নিধন কার্যক্রমের কার্যকারিতা এবং ব্যবহৃত ওষুধের মান নিয়েও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
আয়োজক হাশমিরা হায়দার চৌধুরীর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে লিফলেট বিতরণ,গণশুনানি ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং নগরবাসীর দুর্ভোগ নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।










