০৫:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান, দৈনিক মিলতে পারে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট

Reporter Name
  • Update Time : ০৫:০৩:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • / 4
Print

দেশে নতুন একটি গ্যাসকূপে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের সুন্দলপুর সাউথ-১ কূপে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কূপটি থেকে দৈনিক ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেতে পারে।

সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে কূপটির খননকাজ শেষে আগুনের শিখা জ্বালিয়ে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। তবে কূপটির প্রকৃত উৎপাদন সক্ষমতা এবং গ্যাসের পরিমাণ জানতে ড্রিল স্টেম টেস্ট (ডিএসটি) পরীক্ষা করতে হবে। পরীক্ষা শেষে এ বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।

বাপেক্সের ডিলিং ইনচার্জ রকিবুল হাসান গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে কূপটিতে খননকাজ চলছিল। কাজ শেষে আগুনের শিখা জ্বালিয়ে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। তবে অতিরিক্ত উত্তাপের কারণে পরে আগুনের শিখা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

রকিবুল হাসান আরও জানান, এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তাঁদের উপস্থিতিতে নতুন করে আগুনের শিখা জ্বালানো হবে।

প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, সুন্দলপুর সাউথ-১ কূপ থেকে দৈনিক ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেতে পারে। এই সম্ভাবনা নিশ্চিত হলে গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি হবে। তবে পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত গ্যাসের প্রকৃত পরিমাণ ও সরবরাহের বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান ও কূপ খনন গুরুত্বপূর্ণ। নোয়াখালীর এই কূপে গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়াকে নতুন সম্ভাবনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন ডিএসটি পরীক্ষার ফলের ওপর নির্ভর করছে কূপটি থেকে বাণিজ্যিকভাবে কতটুকু গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান, দৈনিক মিলতে পারে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট

Update Time : ০৫:০৩:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
Print

দেশে নতুন একটি গ্যাসকূপে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের সুন্দলপুর সাউথ-১ কূপে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কূপটি থেকে দৈনিক ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেতে পারে।

সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে কূপটির খননকাজ শেষে আগুনের শিখা জ্বালিয়ে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। তবে কূপটির প্রকৃত উৎপাদন সক্ষমতা এবং গ্যাসের পরিমাণ জানতে ড্রিল স্টেম টেস্ট (ডিএসটি) পরীক্ষা করতে হবে। পরীক্ষা শেষে এ বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।

বাপেক্সের ডিলিং ইনচার্জ রকিবুল হাসান গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে কূপটিতে খননকাজ চলছিল। কাজ শেষে আগুনের শিখা জ্বালিয়ে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। তবে অতিরিক্ত উত্তাপের কারণে পরে আগুনের শিখা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

রকিবুল হাসান আরও জানান, এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তাঁদের উপস্থিতিতে নতুন করে আগুনের শিখা জ্বালানো হবে।

প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, সুন্দলপুর সাউথ-১ কূপ থেকে দৈনিক ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেতে পারে। এই সম্ভাবনা নিশ্চিত হলে গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি হবে। তবে পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত গ্যাসের প্রকৃত পরিমাণ ও সরবরাহের বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান ও কূপ খনন গুরুত্বপূর্ণ। নোয়াখালীর এই কূপে গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়াকে নতুন সম্ভাবনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন ডিএসটি পরীক্ষার ফলের ওপর নির্ভর করছে কূপটি থেকে বাণিজ্যিকভাবে কতটুকু গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে।