১০:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সন্দ্বীপে স্কুলছাত্রী অপহরণের অভিযোগ,কুমিল্লার কাবিলা বাজার থেকে উদ্ধার।

Reporter Name
  • Update Time : ১০:২২:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • / 7
Print

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে।তবে অপহরণের পর কুমিল্লার কাবিলা বাজার এলাকা থেকে স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতায় শিশুটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

পরিবারের তথ্যসূত্রে জানা যায়,রহমতপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মোহাম্মদ শাহাদাতের একমাত্র মেয়ে আনিশা গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্কুল ছুটির পর নিখোঁজ হয়।পরিবারের দাবি,স্কুলের বাইরে থেকে পরিচিত এক ব্যক্তি তাকে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সঙ্গে নিয়ে যায়।ওই ব্যক্তি আগে থেকেই পরিবারের পরিচিত ছিলেন এবং মাঝে মাঝে শিশুটিকে স্কুলে আনা-নেওয়ার কাজে যুক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী,শিশুটিকে বলা হয় তার মা দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন এবং পরিবারের সদস্যরা তাকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে নিয়ে গেছেন।এ কথা বিশ্বাস করে শিশুটি ওই ব্যক্তির সঙ্গে চলে যায়।পরে বিষয়টি বুঝতে পেরে শিশুটি কান্নাকাটি শুরু করলে তাকে জোরপূর্বক অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয় বলে পরিবারের অভিযোগ।

শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পরপরই পরিবার ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধারে তৎপর হয়ে ওঠেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সম্ভাব্য অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চালানো হয়।

এ সময় মোহাম্মদ আজাদ,আরিফসহ স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি এবং শিশুটির পরিবারের সদস্যরা উদ্ধার কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে কাজ করেন বলে জানা গেছে।

পরিবারের দাবি,শিশুটিকে নিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি কুমিল্লার কাবিলা বাজার এলাকায় পৌঁছালে শিশুটির আচরণ ও কান্নাকাটিতে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়।একপর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশুটিকে সেখানে রেখে পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।পরে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা শিশুটির কাছ থেকে পরিবারের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে সন্দ্বীপে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত কুমিল্লায় গিয়ে শিশুটিকে নিরাপদে বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন।

আনিশাকে সুস্থ ও নিরাপদে ফিরে পাওয়ায় পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। শিশুটিকে উদ্ধারে সহযোগিতা করায় কুমিল্লার স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে পরিবার।একই সঙ্গে উদ্ধার কার্যক্রমে সহযোগিতাকারী স্থানীয় ব্যক্তিদের প্রতিও ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।

এ ঘটনায় শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়ে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।পাশাপাশি পরিচিত ব্যক্তি হলেও শিশুদের একা কোথাও পাঠানোর ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন এবং শিশুদের অপরিচিত বা সন্দেহজনক পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

সন্দ্বীপে স্কুলছাত্রী অপহরণের অভিযোগ,কুমিল্লার কাবিলা বাজার থেকে উদ্ধার।

Update Time : ১০:২২:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
Print

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে।তবে অপহরণের পর কুমিল্লার কাবিলা বাজার এলাকা থেকে স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতায় শিশুটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

পরিবারের তথ্যসূত্রে জানা যায়,রহমতপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মোহাম্মদ শাহাদাতের একমাত্র মেয়ে আনিশা গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্কুল ছুটির পর নিখোঁজ হয়।পরিবারের দাবি,স্কুলের বাইরে থেকে পরিচিত এক ব্যক্তি তাকে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সঙ্গে নিয়ে যায়।ওই ব্যক্তি আগে থেকেই পরিবারের পরিচিত ছিলেন এবং মাঝে মাঝে শিশুটিকে স্কুলে আনা-নেওয়ার কাজে যুক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী,শিশুটিকে বলা হয় তার মা দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন এবং পরিবারের সদস্যরা তাকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে নিয়ে গেছেন।এ কথা বিশ্বাস করে শিশুটি ওই ব্যক্তির সঙ্গে চলে যায়।পরে বিষয়টি বুঝতে পেরে শিশুটি কান্নাকাটি শুরু করলে তাকে জোরপূর্বক অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয় বলে পরিবারের অভিযোগ।

শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পরপরই পরিবার ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধারে তৎপর হয়ে ওঠেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সম্ভাব্য অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চালানো হয়।

এ সময় মোহাম্মদ আজাদ,আরিফসহ স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি এবং শিশুটির পরিবারের সদস্যরা উদ্ধার কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে কাজ করেন বলে জানা গেছে।

পরিবারের দাবি,শিশুটিকে নিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি কুমিল্লার কাবিলা বাজার এলাকায় পৌঁছালে শিশুটির আচরণ ও কান্নাকাটিতে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়।একপর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশুটিকে সেখানে রেখে পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।পরে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা শিশুটির কাছ থেকে পরিবারের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে সন্দ্বীপে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত কুমিল্লায় গিয়ে শিশুটিকে নিরাপদে বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন।

আনিশাকে সুস্থ ও নিরাপদে ফিরে পাওয়ায় পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। শিশুটিকে উদ্ধারে সহযোগিতা করায় কুমিল্লার স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে পরিবার।একই সঙ্গে উদ্ধার কার্যক্রমে সহযোগিতাকারী স্থানীয় ব্যক্তিদের প্রতিও ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।

এ ঘটনায় শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়ে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।পাশাপাশি পরিচিত ব্যক্তি হলেও শিশুদের একা কোথাও পাঠানোর ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন এবং শিশুদের অপরিচিত বা সন্দেহজনক পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।