তারেক রহমানের নেতৃত্বে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে উঠতে যাচ্ছে।
- Update Time : ০১:০৬:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
- / 5

পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন,তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুনভাবে আধুনিক বাংলাদেশ,স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে উঠতে যাচ্ছে।যা নির্বাচনের আগে তার পিতার কথা অনুযায়ী,তার মায়ের প্ল্যান অনুযায়ী আমরা জাতির সামনে তুলে ধরেছিলাম।
সেই প্ল্যানগুলো নিয়েই আজ আমরা মাঠে নেমেছি।সেভাবে তারেক জিয়ার নেতৃত্বে কাজ করছি।
তারেক জিয়ার হাতকে শক্তিশালী করার মধ্য দিয়ে আমাদের এই অগ্রযাত্রা এবং নতুনভাবে বাংলাদেশকে বিনির্মাণের পথে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।
শুক্রবার দুপুরে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নে লাইফ লাইন ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের আয়োজিত নারীদের মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।স্থানীয় তোতারখিল আয়েশা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ আয়োজন করা হয়।পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছর আমরা বঞ্চিত ছিলাম, উপেক্ষিত ছিলাম।
দুর্নীতি,দুর্বৃত্তায়ন,দুঃশাসন আমাদেরকে গ্রাস করে দিয়েছে।তারেক রহমানের চিন্তা-চেতনা,তীক্ষ্ণ দৃষ্টি, দূরদর্শী চিন্তা থেকে আজ এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে মাঠে নেমেছি,যেখানে টিম ওয়ার্কের মাধ্যমে আমাদের বাংলাদেশটাকে রক্ষা করতে হবে।বাংলাদেশটাকে আমাদের ধরে রাখতে হবে।সেটার জন্য বৃক্ষরোপণ ও খাল খনন কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন,মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অত্যাচারিত,নিপীড়িত হয়েছেন, সবশেষ আমাদের থেকে বিদায় নিয়েছেন।তারেক রহমান নির্বাসিত জীবনে ছিলেন।বাংলাদেশে বসে কাজ করতে পারেননি।সাজাপ্রাপ্ত অবস্থায় বিদেশে বসে জুম মিটিং করে আমাদেরকে পরিকল্পনা দিয়েছেন,আমরা মাঠে কাজ করেছি।আবার জেলেও বন্দি হয়েছি,অত্যাচারিত-নির্যাতিত হয়েছি।আবার মাঠে কাজ করে বিগত ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তুলে স্বাভাবিক পরিবেশ পেয়েছি,আপনাদের মাধ্যমে।সেই আন্দোলনে আপনারা নেতৃত্ব দিয়েছেন,আপনারা ছিলেন।
তিনি বলেন,আজ যারা বিরোধী দল,আন্দোলন-সংগ্রামে তারাও কাজ করেছেন।করেন নাই,আমরা বলি না।কিন্তু ২৮ অক্টোবর তো খুঁজে পাইনি।লক্ষ্মীপুরে এত পদযাত্রা করলাম,মিছিল-মিটিং করলাম,কোথায় ছিল আমার বিরোধী দল?ছিল,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঠিকই ছিল,কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু ছিল,গুপ্ত অবস্থায় ছিল।কার সঙ্গে কার আঁতাত ছিল, ১৯৮৬ সালে সেটার প্রমাণ ছিল না?১৯৯৬ সালে সেটার প্রমাণ ছিল না? ১৭২ দিন, ১৭৩ দিন হরতাল করেছে, অবরোধ করেছে, তাদের সঙ্গী ছিলেন না? আমাদেরকে সচেতন হতে হবে,সজাগ থাকতে হবে।
মন্ত্রী বলেন,আজ লংমার্চ,রোডমার্চ করেন।আজ এক দফার আন্দোলন করার জন্য সচিবালয়ের সামনে চলে যান। লসংসদের সামনে চলে যান।হুংকার দেন, আমাদেরকে হুংকার দেবেন না,আমরা মাঠ থেকে উঠে এসেছি।আমরা রাজপথ থেকে উঠে এসেছি।
লাইফ লাইন ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের প্রতিষ্ঠাতা আহসান হাবিবের তত্ত্বাবধানে এবং সভাপতি শামস জেরিন জর্জির সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণ পরিষদের নির্বাহী সচিব কামরুজ্জামান,চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)নিলুফা ইয়াসমিন নিপা,চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)আব্দুর রব,জাতীয় মহিলা সংস্থার জেলা কর্মকর্তা আনোয়ার পাশা,চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি বেল্লাল হোসেন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে দেড়শ নারীর মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরশীলতার লক্ষ্যে সংস্থাটির এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান পানিসম্পদমন্ত্রী।









