০১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ড্রেজিং সংকটে সন্দ্বীপ-চট্টগ্রাম নৌরুটে বাঁশবাড়িয়া-গুপ্তছরা ফেরী ঘাটে ফেরী চলাচল বন্ধ রয়েছে।

Reporter Name
  • Update Time : ০১:৩৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • / 8
Print

পর্যাপ্ত ড্রেজিংয়ের অভাবে নাব্যতা সংকটে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ গুপ্তছরা-বাঁশবাড়িয়া নৌ-রুটে ফেরি ও সি-ট্রাক চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।মঙ্গলবার সকালে গুপ্তছড়া ঘাট থেকে ফেরি কপোতাক্ষের সার্ভিস বন্ধ ঘোষণা করা হয়।এর আগে গত দুই দিন ধরে বন্ধ রয়েছে সি-ট্রাক এসটি নিঝুম দ্বীপ।

 

এতে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।বিশেষ করে দুর্গাপূজার ছুটিতে বাড়ি ফিরতে চাওয়া যাত্রীরা পড়েছেন দুশ্চিন্তায়।এ রুটে ফেরি ও সি-ট্রাক ছাড়া যাত্রী পারাপারের বিকল্প নৌযান নেই।

 

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান,প্রায় এক মাস আগে গুপ্তছড়া ঘাটে ড্রেজিং শুরু হলেও একটি সরকারি ড্রেজার দিয়ে ধীরগতিতে খননকাজ চলছে।ফলে নাব্যতা সংকটের দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি।ভাটার সময় ঘাটে পানির গভীরতা প্রায় শূন্যে নেমে আসে।ভরা জোয়ারেও পানির গভীরতা থাকে মাত্র ৮ থেকে ৯ ফুট।

 

সি-ট্রাকের ক্যাপ্টেন ইকরামুজ্জামান জানান,সি-ট্রাক চলাচলের জন্য কমপক্ষে সাড়ে আট ফুট পানির গভীরতা প্রয়োজন।কিন্তু বর্তমানে প্রয়োজনীয় গভীরতা না থাকায় নৌযান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

 

বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী প্রকৌশলী রিসাদ আহম্মেদ বলেন,নাব্যতা স্বাভাবিক করতে শক্তিশালী বেসরকারি ড্রেজার নিয়োগের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। আপাতত সরকারি ড্রেজার দিয়ে খননকাজ চলছে। প্রাকৃতিক কারণে কিছুটা সমস্যা হলেও বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

ড্রেজিং সংকটে সন্দ্বীপ-চট্টগ্রাম নৌরুটে বাঁশবাড়িয়া-গুপ্তছরা ফেরী ঘাটে ফেরী চলাচল বন্ধ রয়েছে।

Update Time : ০১:৩৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
Print

পর্যাপ্ত ড্রেজিংয়ের অভাবে নাব্যতা সংকটে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ গুপ্তছরা-বাঁশবাড়িয়া নৌ-রুটে ফেরি ও সি-ট্রাক চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।মঙ্গলবার সকালে গুপ্তছড়া ঘাট থেকে ফেরি কপোতাক্ষের সার্ভিস বন্ধ ঘোষণা করা হয়।এর আগে গত দুই দিন ধরে বন্ধ রয়েছে সি-ট্রাক এসটি নিঝুম দ্বীপ।

 

এতে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।বিশেষ করে দুর্গাপূজার ছুটিতে বাড়ি ফিরতে চাওয়া যাত্রীরা পড়েছেন দুশ্চিন্তায়।এ রুটে ফেরি ও সি-ট্রাক ছাড়া যাত্রী পারাপারের বিকল্প নৌযান নেই।

 

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান,প্রায় এক মাস আগে গুপ্তছড়া ঘাটে ড্রেজিং শুরু হলেও একটি সরকারি ড্রেজার দিয়ে ধীরগতিতে খননকাজ চলছে।ফলে নাব্যতা সংকটের দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি।ভাটার সময় ঘাটে পানির গভীরতা প্রায় শূন্যে নেমে আসে।ভরা জোয়ারেও পানির গভীরতা থাকে মাত্র ৮ থেকে ৯ ফুট।

 

সি-ট্রাকের ক্যাপ্টেন ইকরামুজ্জামান জানান,সি-ট্রাক চলাচলের জন্য কমপক্ষে সাড়ে আট ফুট পানির গভীরতা প্রয়োজন।কিন্তু বর্তমানে প্রয়োজনীয় গভীরতা না থাকায় নৌযান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

 

বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী প্রকৌশলী রিসাদ আহম্মেদ বলেন,নাব্যতা স্বাভাবিক করতে শক্তিশালী বেসরকারি ড্রেজার নিয়োগের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। আপাতত সরকারি ড্রেজার দিয়ে খননকাজ চলছে। প্রাকৃতিক কারণে কিছুটা সমস্যা হলেও বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে।