নিজের আঁকা ছবি বিদ্যালয়কে উপহার দিল ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী মুনহা
- Update Time : ০৫:২৯:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
- / 12

নিজের হাতে আঁকা একটি নান্দনিক চিত্রকর্ম প্রিয় বিদ্যালয়কে উপহার দিয়েছে সুনামগঞ্জের হামিদ হালিমা মডেল বিদ্যানিকেতনের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী তাদিয়া তাবাসসুম মুনহা। শিক্ষার্থীর সৃজনশীল মনন ও শিল্পের প্রতি গভীর অনুরাগ প্রকাশ পাওয়া এই চিত্রকর্মটি সাদরে গ্রহণ করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। ক্ষুদে শিক্ষার্থীর এই অনন্য সৃষ্টিশীলতাকে অনুপ্রাণিত করতে চিত্রকর্মটি বিদ্যালয়ের প্রধান কার্যালয়ে (অফিস কক্ষে) স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সম্প্রতি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক অনাড়ম্বর পরিবেশে প্রধান শিক্ষক মো. জামাল হোসেনের হাতে নিজের আঁকা ছবিটি তুলে দেয় মুনহা। উপহার গ্রহণের সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক স্বপন আখন্দ ও সহকারী শিক্ষক তাকবীর হোসেন। মুনহার নিপুণ হাতে আঁকা চিত্রকর্মটি দেখে শিক্ষকরা তার কল্পনাশক্তি, অঙ্কনশৈলী এবং শিল্পচর্চার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
শিক্ষার্থীর প্রতিভায় মুগ্ধতা প্রকাশ করে প্রধান শিক্ষক জামাল হোসেন বলেন, “পাঠ্যবইয়ের নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি সহশিক্ষা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ তাদের মানসিক বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুনহার আঁকা ছবিটি তার চমৎকার কল্পনাশক্তির প্রমাণ। তার এই সুপ্ত প্রতিভাকে সম্মান জানাতে এবং অন্য শিক্ষার্থীদের মাঝে অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করতে চিত্রকর্মটি বিদ্যালয়ের কার্যালয়ে সংরক্ষণ করা হবে।” একই সঙ্গে তিনি মুনহার মেধার বিকাশ ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক স্বপন আখন্দ বলেন, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে যখন কোমলমতি শিশু-কিশোরদের একটি বড় অংশ অনলাইন গেম, টিকটক ও ফেসবুকসহ বিভিন্ন ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে অতিরিক্ত সময় অপচয় করছে, তখন মুনহার মতো একজন শিক্ষার্থীর এমন সৃষ্টিশীল প্রয়াস সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। নিজের ভাবনা ও মননকে রঙ-তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলা তার মেধার গভীরতাকে তুলে ধরে।
নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে শিক্ষার্থী তাদিয়া তাবাসসুম মুনহা জানায়, নতুন নতুন বিষয় জানা ও সৃষ্টি করার প্রতি তার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিজের মনে যেসব ভাবনা ও কল্পনার উদয় হয়, সেগুলোকেই সে চিত্রের মাধ্যমে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করে। নিজের আঁকা ছবি প্রিয় বিদ্যালয়ে উপহার দিতে পেরে সে অত্যন্ত আনন্দিত।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকদের প্রত্যাশা, পাঠ্যবইয়ের শিক্ষার পাশাপাশি মুনহার এই সৃষ্টিশীল যাত্রা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং সে একজন দক্ষ ও নান্দনিক মনের মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে।
























