মস্কোমুখী ৬১৩ ড্রোন হামলার দাবি রাশিয়ার, খারকিভে পাল্টা আঘাত
- Update Time : ০৩:২২:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
- / 5

রাশিয়ার রাজধানী মস্কো ও আশপাশের অঞ্চল লক্ষ্য করে এক রাতেই ৬১৩টি ড্রোন হামলার চেষ্টা হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। এসব ড্রোনের বেশির ভাগই আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস বা নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রাশিয়া। একই সময়ে ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে রুশ হামলায় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শহরটির মেয়র।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে রুশ কর্তৃপক্ষের বরাতে এ তথ্য জানানো হয়।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাতভর মস্কোর দিকে ৬১৩টি ড্রোন উড়ে আসে। এর বেশির ভাগই আকাশে থাকা অবস্থায় গুলি করে নামানো হয় বলে দাবি করেছে রুশ কর্তৃপক্ষ।
মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় জানান, বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী মস্কো শহরের উপকণ্ঠে পৌঁছানোর আগেই ২৩১টি ড্রোন ধ্বংস করেছে। বাকি ড্রোনগুলো বুধবার সন্ধ্যা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত মস্কো থেকে দূরবর্তী আকাশসীমায় নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
তবে হামলায় মোট কতটি ড্রোন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে, কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিংবা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না—এসব বিষয়ে প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। ড্রোনের সংখ্যা ও সেগুলো প্রতিহত করার তথ্য রুশ কর্তৃপক্ষের দেওয়া হিসাবের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে।
মস্কো অঞ্চলকে লক্ষ্য করে বড় আকারের ড্রোন হামলার ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ এ ঘটনা ঘটেছে। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে এক হামলায় ১ হাজার ৬০০টির বেশি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছিল রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী।
এদিকে রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনের খারকিভ শহরের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শহরটির মেয়র ইহোর তেরেখভ। টেলিগ্রামে দেওয়া বার্তায় তিনি এ তথ্য জানান। তবে ওই হামলায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান যুদ্ধে ড্রোন হামলা গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। দুই দেশই নিয়মিত একে অপরের সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানোর খবর জানায়। তবে হামলার সংখ্যা, প্রতিহত করা ড্রোন এবং ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর দেওয়া তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সব সময় সম্ভব হয় না।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা



















