০৭:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানিকগঞ্জ-রাজবাড়ী-পাবনায় হবে ওয়াই সেতু

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৪৭:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • / 5
Print

পদ্মা নদীর ওপর দ্বিতীয় আরেকটি সেতু নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ‘পদ্মা ওয়াই-টাইপ দ্বিতীয় সেতু’ নামের এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী ও পাবনাকে সংযুক্ত করার পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগে নতুন পথ তৈরি হতে পারে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, পদ্মা ব্যারেজ, পদ্মা ওয়াই-টাইপ সেতু এবং দ্বিতীয় যমুনা সেতু—এই তিনটি প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। সম্ভাব্যতা সমীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, দ্বিতীয় পদ্মা সেতুটি মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট ও রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ঘাট পয়েন্টকে যুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। পাশাপাশি সেতুটির নকশা ওয়াই-আকৃতির বা ত্রিমুখী সংযোগব্যবস্থার করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে পাবনা ও উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ সহজ করার লক্ষ্য রয়েছে।

ওয়াই-টাইপ সেতু বলতে ইংরেজি ‘Y’ অক্ষরের মতো আকৃতির যোগাযোগ অবকাঠামোকে বোঝায়। এ ধরনের সেতু বা সংযোগব্যবস্থায় তিনটি ভিন্ন দিকের যোগাযোগের সুযোগ থাকে। প্রস্তাবিত দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর ক্ষেত্রেও এমন ত্রিমুখী সংযোগের পরিকল্পনা সামনে এসেছে।

সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, পদ্মা ব্যারেজ ও ওয়াই-টাইপ সেতুর মধ্যে কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি হবে কি না, কিংবা একটি প্রকল্প অন্যটির পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে পারবে কি না, তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। আলোচনা শেষে পদ্মা ব্যারেজের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ওয়াই-টাইপ সেতুও বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, তিনটি প্রকল্প বাস্তবায়নের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি সেগুলোর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। তবে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।

বর্তমানে পদ্মা নদীর ওপর রয়েছে পদ্মা বহুমুখী সেতু। মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের সঙ্গে শরীয়তপুর ও মাদারীপুরকে যুক্ত করেছে সেতুটি। এর মাধ্যমে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ২১টি জেলার যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ২০২২ সালের ২৫ জুন সেতুটি উদ্বোধন করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

মানিকগঞ্জ-রাজবাড়ী-পাবনায় হবে ওয়াই সেতু

Update Time : ০৬:৪৭:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
Print

পদ্মা নদীর ওপর দ্বিতীয় আরেকটি সেতু নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ‘পদ্মা ওয়াই-টাইপ দ্বিতীয় সেতু’ নামের এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী ও পাবনাকে সংযুক্ত করার পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগে নতুন পথ তৈরি হতে পারে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, পদ্মা ব্যারেজ, পদ্মা ওয়াই-টাইপ সেতু এবং দ্বিতীয় যমুনা সেতু—এই তিনটি প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। সম্ভাব্যতা সমীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, দ্বিতীয় পদ্মা সেতুটি মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট ও রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ঘাট পয়েন্টকে যুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। পাশাপাশি সেতুটির নকশা ওয়াই-আকৃতির বা ত্রিমুখী সংযোগব্যবস্থার করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে পাবনা ও উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ সহজ করার লক্ষ্য রয়েছে।

ওয়াই-টাইপ সেতু বলতে ইংরেজি ‘Y’ অক্ষরের মতো আকৃতির যোগাযোগ অবকাঠামোকে বোঝায়। এ ধরনের সেতু বা সংযোগব্যবস্থায় তিনটি ভিন্ন দিকের যোগাযোগের সুযোগ থাকে। প্রস্তাবিত দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর ক্ষেত্রেও এমন ত্রিমুখী সংযোগের পরিকল্পনা সামনে এসেছে।

সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, পদ্মা ব্যারেজ ও ওয়াই-টাইপ সেতুর মধ্যে কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি হবে কি না, কিংবা একটি প্রকল্প অন্যটির পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে পারবে কি না, তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। আলোচনা শেষে পদ্মা ব্যারেজের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ওয়াই-টাইপ সেতুও বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, তিনটি প্রকল্প বাস্তবায়নের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি সেগুলোর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। তবে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।

বর্তমানে পদ্মা নদীর ওপর রয়েছে পদ্মা বহুমুখী সেতু। মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের সঙ্গে শরীয়তপুর ও মাদারীপুরকে যুক্ত করেছে সেতুটি। এর মাধ্যমে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ২১টি জেলার যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ২০২২ সালের ২৫ জুন সেতুটি উদ্বোধন করা হয়।