১১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্রমিক অসন্তোষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশ

Reporter Name
  • Update Time : ০৯:২০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • / 10
Print

পোশাকশ্রমিকদের চলমান অসন্তোষের মধ্যে তৈরি পোশাক কারখানার উৎপাদন সচল রাখা এবং সামগ্রিক জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে শ্রমিক অসন্তোষ মোকাবিলায় রাজনৈতিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কথা জানিয়েছে সরকার।

রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

শ্রমমন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বর মাসকে সামনে রেখে একটি মহল পোশাক খাতকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। সরকার রাজনৈতিকভাবে এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করবে। পাশাপাশি কারখানার উৎপাদন অব্যাহত রাখা এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি সূত্র জানায়, শ্রমিক অসন্তোষ নিরসন এবং পোশাক খাতের অস্থিরতা মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণ করতে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নিয়ে এ জরুরি বৈঠক করেন। এতে অর্থ, স্বরাষ্ট্র ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীসহ কয়েকজন মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে রোববার বেলা একটার দিকে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এর কয়েক ঘণ্টা আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি পর্যালোচনার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করে সরকার।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, শ্রমিক অসন্তোষ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী দুই দিন আগেই প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন। তবে মজুরি বোর্ডের জন্য শ্রমিক প্রতিনিধির নাম চূড়ান্ত করতে মন্ত্রণালয়ের কিছুটা সময় লাগায় বোর্ড গঠনে সামান্য বিলম্ব হয়।

এদিকে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিকে কেন্দ্র করে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় পোশাক খাতের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা, শ্রমিক অসন্তোষ নিরসন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো এখন সরকারের আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

শ্রমিক অসন্তোষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশ

Update Time : ০৯:২০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
Print

পোশাকশ্রমিকদের চলমান অসন্তোষের মধ্যে তৈরি পোশাক কারখানার উৎপাদন সচল রাখা এবং সামগ্রিক জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে শ্রমিক অসন্তোষ মোকাবিলায় রাজনৈতিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কথা জানিয়েছে সরকার।

রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

শ্রমমন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বর মাসকে সামনে রেখে একটি মহল পোশাক খাতকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। সরকার রাজনৈতিকভাবে এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করবে। পাশাপাশি কারখানার উৎপাদন অব্যাহত রাখা এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি সূত্র জানায়, শ্রমিক অসন্তোষ নিরসন এবং পোশাক খাতের অস্থিরতা মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণ করতে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নিয়ে এ জরুরি বৈঠক করেন। এতে অর্থ, স্বরাষ্ট্র ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীসহ কয়েকজন মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে রোববার বেলা একটার দিকে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এর কয়েক ঘণ্টা আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি পর্যালোচনার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করে সরকার।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, শ্রমিক অসন্তোষ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী দুই দিন আগেই প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন। তবে মজুরি বোর্ডের জন্য শ্রমিক প্রতিনিধির নাম চূড়ান্ত করতে মন্ত্রণালয়ের কিছুটা সময় লাগায় বোর্ড গঠনে সামান্য বিলম্ব হয়।

এদিকে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিকে কেন্দ্র করে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় পোশাক খাতের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা, শ্রমিক অসন্তোষ নিরসন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো এখন সরকারের আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।