০৮:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৪ নভেম্বর থেকে সারাদেশে গ্যাসের সরবরাহ কমবে, ভোগান্তির শঙ্কা

Reporter Name
  • Update Time : ০৮:২০:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • / 3
Print

জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে আগামী ৪ নভেম্বর থেকে সারাদেশে গ্যাসের সরবরাহ কমতে পারে। এ সময় তিন দিন বন্ধ থাকবে কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট এলএনজি টার্মিনালের রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম। এতে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে দৈনিক সরবরাহ ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতের গ্রাহকদের সাময়িক ভোগান্তিতে পড়তে হতে পারে।

রোববার (১ নভেম্বর) পেট্রোবাংলার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সামিট এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামী ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত টার্মিনালটির রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

বর্তমানে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহের পরিমাণ ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট। টার্মিনালটির কার্যক্রম বন্ধ থাকাকালে তা কমে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসতে পারে। অর্থাৎ এ সময়ে প্রতিদিন ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমবে।

পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, সরবরাহ কমে যাওয়ার প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের চাপ স্বাভাবিকের তুলনায় কম থাকতে পারে। বিশেষ করে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতের গ্রাহকেরা সাময়িক সমস্যায় পড়তে পারেন।

এর ফলে বাসাবাড়িতে রান্নার কাজে গ্যাসের চাপ কম পাওয়া, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে বিঘ্ন এবং শিল্পকারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে সব এলাকায় একই মাত্রায় গ্যাসের চাপ কমবে কি না, সে বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে নির্দিষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।

পেট্রোবাংলা আরও জানিয়েছে, এর আগেও গত বছরের ডিসেম্বরে একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছিল। টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের কারণে সাময়িক অসুবিধা তৈরি হওয়ায় গ্রাহকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর টার্মিনালের রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম স্বাভাবিক হলে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহও স্বাভাবিক পর্যায়ে ফেরার কথা। এ সময় গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

৪ নভেম্বর থেকে সারাদেশে গ্যাসের সরবরাহ কমবে, ভোগান্তির শঙ্কা

Update Time : ০৮:২০:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
Print

জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে আগামী ৪ নভেম্বর থেকে সারাদেশে গ্যাসের সরবরাহ কমতে পারে। এ সময় তিন দিন বন্ধ থাকবে কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট এলএনজি টার্মিনালের রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম। এতে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে দৈনিক সরবরাহ ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতের গ্রাহকদের সাময়িক ভোগান্তিতে পড়তে হতে পারে।

রোববার (১ নভেম্বর) পেট্রোবাংলার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সামিট এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামী ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত টার্মিনালটির রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

বর্তমানে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহের পরিমাণ ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট। টার্মিনালটির কার্যক্রম বন্ধ থাকাকালে তা কমে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসতে পারে। অর্থাৎ এ সময়ে প্রতিদিন ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমবে।

পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, সরবরাহ কমে যাওয়ার প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের চাপ স্বাভাবিকের তুলনায় কম থাকতে পারে। বিশেষ করে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতের গ্রাহকেরা সাময়িক সমস্যায় পড়তে পারেন।

এর ফলে বাসাবাড়িতে রান্নার কাজে গ্যাসের চাপ কম পাওয়া, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে বিঘ্ন এবং শিল্পকারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে সব এলাকায় একই মাত্রায় গ্যাসের চাপ কমবে কি না, সে বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে নির্দিষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।

পেট্রোবাংলা আরও জানিয়েছে, এর আগেও গত বছরের ডিসেম্বরে একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছিল। টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের কারণে সাময়িক অসুবিধা তৈরি হওয়ায় গ্রাহকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর টার্মিনালের রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম স্বাভাবিক হলে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহও স্বাভাবিক পর্যায়ে ফেরার কথা। এ সময় গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।