দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু এবং পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা
- Update Time : ০৬:২৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
- / 5

দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু নির্মাণ এবং পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসব অবকাঠামো প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, অর্থায়ন, জমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে পরিকল্পিতভাবে কাজ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব শাহরিয়ার পামির এ তথ্য জানিয়েছেন।
বৈঠকে দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর সম্ভাব্য নকশা ও সংযোগব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়। প্রস্তাবিত সেতুটির সংযোগ নকশা ‘ওয়াই’ আকৃতির করার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। এ সেতু নির্মিত হলে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ আরও সহজ করার পাশাপাশি মোংলা বন্দর এবং বেনাপোল ও দর্শনা স্থলবন্দরে বিকল্প যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ও দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কাজ চলছে। আগামী বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যে এসব সমীক্ষা শেষ হওয়ার আশা করা হচ্ছে। সমীক্ষার ফল পাওয়ার পর সেতু দুটির সম্ভাব্য অবস্থান, নকশা ও নির্মাণব্যয় সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
দ্বিতীয় যমুনা সেতুর ক্ষেত্রে রংপুরসহ দেশের উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত করার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ অঞ্চলের সঙ্গে দেশের অন্যান্য এলাকার যোগাযোগ আরও কার্যকর করতে প্রকল্পের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।
বৈঠকে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার বিষয়গুলো আলোচনায় আসে। ব্যারেজ নির্মিত হলে এর ওপর দিয়ে সড়ক যোগাযোগের সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হয়েছে।
এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অর্থায়নের ব্যবস্থা, জমি অধিগ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রকল্পগুলোর পরিকল্পনা ও প্রস্তুতিমূলক কাজ সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।






















