১১:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৪১ বছর বয়সেও অপ্রতিরোধ্য রোনালদো, আল নাসরের দুর্দান্ত জয়

Reporter Name
  • Update Time : ০৯:১৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • / 3
Print

রোনালদোর বয়স ৪১, তবু গোলের ক্ষুধায় এতটুকু ভাটা পড়েনি। একের পর এক গোল করে ফুটবল বিশ্বকে আবারও নিজের সামর্থ্যের কথা মনে করিয়ে দিলেন পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। আল খুলুদের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে আল নাসরকে ৫-৩ গোলের জয় এনে দিয়েছেন তিনি। এই তিন গোলের মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ারের মোট গোলসংখ্যা ৯৮৫-এ নিয়ে গেছেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী তারকা। অর্থাৎ বহুল আলোচিত ১ হাজার ক্যারিয়ার গোলের মাইলফলক স্পর্শ করতে এখন তাঁর প্রয়োজন মাত্র ১৫টি গোল। বয়সের বাধা পেরিয়ে রোনালদোর এই গোলযাত্রা ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আল খুলুদের বিপক্ষে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে আল নাসর। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে ধারাবাহিক চাপ তৈরি করে একের পর এক গোলের সুযোগ তৈরি করেছে দলটি। তবে পুরো ম্যাচের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিলেন রোনালদো। সতীর্থদের সঙ্গে সমন্বয় করে আক্রমণে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি নিজেও গোলের সুযোগ কাজে লাগিয়েছেন তিনি। পুরো ৯০ মিনিট মাঠে থেকে তিনবার প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠান পর্তুগিজ অধিনায়ক। তাঁর অভিজ্ঞতা, অবস্থান নির্বাচন এবং গোল করার দক্ষতা আবারও আল নাসরের আক্রমণভাগকে কার্যকর করে তুলেছে। শেষ পর্যন্ত তিন গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রোনালদোর দল।

ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সেও ম্যাচটিতে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন রোনালদো। পুরো ম্যাচে ছয়টি শট নিয়েছেন তিনি, যার মধ্যে চারটি ছিল লক্ষ্যে। তাঁর প্রত্যাশিত গোলের পরিমাণ ছিল ১.৯৭, অথচ বাস্তবে তিনটি গোল করে সেই সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছেন। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের বিপক্ষে নিয়মিত হুমকি তৈরি করেছেন এই স্ট্রাইকার। ম্যাচে কোনো অ্যাসিস্ট না থাকলেও গোল করার ক্ষেত্রে তাঁর কার্যকারিতা ছিল চোখে পড়ার মতো। ফটমবের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রোনালদোর ম্যাচ রেটিং ছিল ৯.৬৩। ৪১ বছর বয়সে ৯০ মিনিট মাঠে থেকে হ্যাটট্রিক করার এই পারফরম্যান্স তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারের আরেকটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হয়ে থাকল।

রোনালদোর ক্যারিয়ারের মোট গোলসংখ্যা এখন ৯৮৫। ফুটবলের ইতিহাসে ১ হাজার গোলের মাইলফলক স্পর্শ করা যে কোনো খেলোয়াড়ের জন্যই বিশেষ অর্জন। সেই মাইলফলকের আরও কাছে পৌঁছে গেছেন পর্তুগিজ মহাতারকা। আর মাত্র ১৫টি গোল করতে পারলেই পূর্ণ হবে তাঁর ব্যক্তিগত গোলের চার অঙ্কের স্বপ্ন। ক্লাব ফুটবল এবং জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ সময় ধরে গোল করে আসছেন তিনি। বয়স বাড়লেও গোল করার ধারাবাহিকতা ধরে রাখার বিষয়টি তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম আলোচিত দিক। আল খুলুদের বিপক্ষে হ্যাটট্রিকের পর স্বাভাবিকভাবেই আবার সামনে এসেছে সেই ঐতিহাসিক মাইলফলকের প্রসঙ্গ। এখন ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ, কবে ১ হাজার গোলের সেই বিশেষ মুহূর্তের সাক্ষী হতে পারবেন তাঁরা।

অন্যদিকে রোনালদোর সঙ্গে আল নাসরের আক্রমণভাগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন হোয়াও ফেলিক্স ও সাদিও মানে। বিশেষ করে ফেলিক্সের পারফরম্যান্স ছিল প্রশংসনীয়। ফটমব থেকে তিনি পেয়েছেন ৯.৭৪ রেটিং, যা ম্যাচে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সর্বোচ্চ। সাদিও মানেও পেয়েছেন ৮.৭ রেটিং। তবে ম্যাচের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন রোনালদো। পরিসংখ্যানেও আল নাসরের আক্রমণাত্মক আধিপত্য স্পষ্ট। দলটি ৫৪ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখেছে এবং মোট ১৬টি শট নিয়েছে। এর মধ্যে নয়টি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে আল খুলুদের মোট শট ছিল সাতটি, যার পাঁচটি লক্ষ্যে ছিল। প্রত্যাশিত গোলের হিসাবেও এগিয়ে ছিল আল নাসর। তাদের xG ছিল ৩.৬৬, যেখানে প্রতিপক্ষের ছিল ২.০৫।

পাসিং ও আক্রমণ পরিচালনার ক্ষেত্রেও এগিয়ে ছিল আল নাসর। দলটি মোট ৩৮৯টি পাসের মধ্যে ৩৩৯টি সফল করেছে, যার হার ৮৭ শতাংশ। অন্যদিকে আল খুলুদ ৩৪৩টি পাসের মধ্যে ২৯২টি সফল করেছে। প্রতিপক্ষের বক্সে আল নাসরের খেলোয়াড়দের স্পর্শ ছিল ৪৩ বার, যেখানে আল খুলুদের ছিল মাত্র ১৮ বার। বড় সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রেও এগিয়ে ছিল রোনালদোর দল। তারা আটটি বড় সুযোগ তৈরি করেছে, বিপরীতে আল খুলুদের সুযোগ ছিল তিনটি। তবে আল নাসর চারটি বড় সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। অন্যদিকে ডিফেন্সিভ পরিসংখ্যানে আল খুলুদ কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও গোলের ব্যবধান কমাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত আক্রমণভাগের কার্যকারিতাই আল নাসরকে ৫-৩ গোলের জয় এনে দেয়।

এই জয়ের ফলে সৌদি প্রো লিগের শিরোপার লড়াইয়েও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে আল নাসর। ১১ ম্যাচ শেষে দলটির সংগ্রহ ২৮ পয়েন্ট, যা তাদের পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রেখেছে। সমান ২৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে আল কাদসিয়া, তবে তারা খেলেছে ১২টি ম্যাচ। অর্থাৎ একটি ম্যাচ কম খেলেই সমান পয়েন্ট অর্জন করেছে রোনালদোর দল। তৃতীয় স্থানে থাকা আল হিলালের সংগ্রহ ১০ ম্যাচে ২৭ পয়েন্ট। ফলে শীর্ষস্থান নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও জমে উঠেছে। তবে পয়েন্ট টেবিলের হিসাবের বাইরেও এই ম্যাচের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি রোনালদোর হ্যাটট্রিক এবং তাঁর ৯৮৫তম ক্যারিয়ার গোল। ১ হাজার গোলের ঐতিহাসিক মাইলফলক থেকে মাত্র ১৫ গোল দূরে দাঁড়িয়ে এখন সেই অপেক্ষাকেই আরও রোমাঞ্চকর করে তুলেছেন পর্তুগিজ মহাতারকা।

Please Share This Post in Your Social Media

৪১ বছর বয়সেও অপ্রতিরোধ্য রোনালদো, আল নাসরের দুর্দান্ত জয়

Update Time : ০৯:১৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
Print

রোনালদোর বয়স ৪১, তবু গোলের ক্ষুধায় এতটুকু ভাটা পড়েনি। একের পর এক গোল করে ফুটবল বিশ্বকে আবারও নিজের সামর্থ্যের কথা মনে করিয়ে দিলেন পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। আল খুলুদের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে আল নাসরকে ৫-৩ গোলের জয় এনে দিয়েছেন তিনি। এই তিন গোলের মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ারের মোট গোলসংখ্যা ৯৮৫-এ নিয়ে গেছেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী তারকা। অর্থাৎ বহুল আলোচিত ১ হাজার ক্যারিয়ার গোলের মাইলফলক স্পর্শ করতে এখন তাঁর প্রয়োজন মাত্র ১৫টি গোল। বয়সের বাধা পেরিয়ে রোনালদোর এই গোলযাত্রা ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আল খুলুদের বিপক্ষে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে আল নাসর। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে ধারাবাহিক চাপ তৈরি করে একের পর এক গোলের সুযোগ তৈরি করেছে দলটি। তবে পুরো ম্যাচের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিলেন রোনালদো। সতীর্থদের সঙ্গে সমন্বয় করে আক্রমণে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি নিজেও গোলের সুযোগ কাজে লাগিয়েছেন তিনি। পুরো ৯০ মিনিট মাঠে থেকে তিনবার প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠান পর্তুগিজ অধিনায়ক। তাঁর অভিজ্ঞতা, অবস্থান নির্বাচন এবং গোল করার দক্ষতা আবারও আল নাসরের আক্রমণভাগকে কার্যকর করে তুলেছে। শেষ পর্যন্ত তিন গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রোনালদোর দল।

ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সেও ম্যাচটিতে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন রোনালদো। পুরো ম্যাচে ছয়টি শট নিয়েছেন তিনি, যার মধ্যে চারটি ছিল লক্ষ্যে। তাঁর প্রত্যাশিত গোলের পরিমাণ ছিল ১.৯৭, অথচ বাস্তবে তিনটি গোল করে সেই সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছেন। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের বিপক্ষে নিয়মিত হুমকি তৈরি করেছেন এই স্ট্রাইকার। ম্যাচে কোনো অ্যাসিস্ট না থাকলেও গোল করার ক্ষেত্রে তাঁর কার্যকারিতা ছিল চোখে পড়ার মতো। ফটমবের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রোনালদোর ম্যাচ রেটিং ছিল ৯.৬৩। ৪১ বছর বয়সে ৯০ মিনিট মাঠে থেকে হ্যাটট্রিক করার এই পারফরম্যান্স তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারের আরেকটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হয়ে থাকল।

রোনালদোর ক্যারিয়ারের মোট গোলসংখ্যা এখন ৯৮৫। ফুটবলের ইতিহাসে ১ হাজার গোলের মাইলফলক স্পর্শ করা যে কোনো খেলোয়াড়ের জন্যই বিশেষ অর্জন। সেই মাইলফলকের আরও কাছে পৌঁছে গেছেন পর্তুগিজ মহাতারকা। আর মাত্র ১৫টি গোল করতে পারলেই পূর্ণ হবে তাঁর ব্যক্তিগত গোলের চার অঙ্কের স্বপ্ন। ক্লাব ফুটবল এবং জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ সময় ধরে গোল করে আসছেন তিনি। বয়স বাড়লেও গোল করার ধারাবাহিকতা ধরে রাখার বিষয়টি তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম আলোচিত দিক। আল খুলুদের বিপক্ষে হ্যাটট্রিকের পর স্বাভাবিকভাবেই আবার সামনে এসেছে সেই ঐতিহাসিক মাইলফলকের প্রসঙ্গ। এখন ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ, কবে ১ হাজার গোলের সেই বিশেষ মুহূর্তের সাক্ষী হতে পারবেন তাঁরা।

অন্যদিকে রোনালদোর সঙ্গে আল নাসরের আক্রমণভাগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন হোয়াও ফেলিক্স ও সাদিও মানে। বিশেষ করে ফেলিক্সের পারফরম্যান্স ছিল প্রশংসনীয়। ফটমব থেকে তিনি পেয়েছেন ৯.৭৪ রেটিং, যা ম্যাচে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সর্বোচ্চ। সাদিও মানেও পেয়েছেন ৮.৭ রেটিং। তবে ম্যাচের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন রোনালদো। পরিসংখ্যানেও আল নাসরের আক্রমণাত্মক আধিপত্য স্পষ্ট। দলটি ৫৪ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখেছে এবং মোট ১৬টি শট নিয়েছে। এর মধ্যে নয়টি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে আল খুলুদের মোট শট ছিল সাতটি, যার পাঁচটি লক্ষ্যে ছিল। প্রত্যাশিত গোলের হিসাবেও এগিয়ে ছিল আল নাসর। তাদের xG ছিল ৩.৬৬, যেখানে প্রতিপক্ষের ছিল ২.০৫।

পাসিং ও আক্রমণ পরিচালনার ক্ষেত্রেও এগিয়ে ছিল আল নাসর। দলটি মোট ৩৮৯টি পাসের মধ্যে ৩৩৯টি সফল করেছে, যার হার ৮৭ শতাংশ। অন্যদিকে আল খুলুদ ৩৪৩টি পাসের মধ্যে ২৯২টি সফল করেছে। প্রতিপক্ষের বক্সে আল নাসরের খেলোয়াড়দের স্পর্শ ছিল ৪৩ বার, যেখানে আল খুলুদের ছিল মাত্র ১৮ বার। বড় সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রেও এগিয়ে ছিল রোনালদোর দল। তারা আটটি বড় সুযোগ তৈরি করেছে, বিপরীতে আল খুলুদের সুযোগ ছিল তিনটি। তবে আল নাসর চারটি বড় সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। অন্যদিকে ডিফেন্সিভ পরিসংখ্যানে আল খুলুদ কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও গোলের ব্যবধান কমাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত আক্রমণভাগের কার্যকারিতাই আল নাসরকে ৫-৩ গোলের জয় এনে দেয়।

এই জয়ের ফলে সৌদি প্রো লিগের শিরোপার লড়াইয়েও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে আল নাসর। ১১ ম্যাচ শেষে দলটির সংগ্রহ ২৮ পয়েন্ট, যা তাদের পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রেখেছে। সমান ২৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে আল কাদসিয়া, তবে তারা খেলেছে ১২টি ম্যাচ। অর্থাৎ একটি ম্যাচ কম খেলেই সমান পয়েন্ট অর্জন করেছে রোনালদোর দল। তৃতীয় স্থানে থাকা আল হিলালের সংগ্রহ ১০ ম্যাচে ২৭ পয়েন্ট। ফলে শীর্ষস্থান নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও জমে উঠেছে। তবে পয়েন্ট টেবিলের হিসাবের বাইরেও এই ম্যাচের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি রোনালদোর হ্যাটট্রিক এবং তাঁর ৯৮৫তম ক্যারিয়ার গোল। ১ হাজার গোলের ঐতিহাসিক মাইলফলক থেকে মাত্র ১৫ গোল দূরে দাঁড়িয়ে এখন সেই অপেক্ষাকেই আরও রোমাঞ্চকর করে তুলেছেন পর্তুগিজ মহাতারকা।