১১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রক্তের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানো তরুণদের সংগঠন পেল সরকারি স্বীকৃতি

Reporter Name
  • Update Time : ১০:৩২:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • / 4
Print

স্বেচ্ছায় রক্তদান ও জরুরি রক্তসংকট নিরসনে কাজ করা নওগাঁর রাণীনগরের তরুণদের সংগঠন ‘রাণীনগর সোশ্যাল ইয়ুথ অর্গানাইজেশন’ সরকারি নিবন্ধন পেয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধন সনদ পাওয়ায় সংগঠনটির কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত ও বিস্তৃত করার নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর) জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাণীনগর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংগঠনের প্রতিনিধিদের হাতে নিবন্ধন সনদ তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাকিবুল হাসান ও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ইবনু সাব্বির।

‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও যুব ঋণের চেক বিতরণের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদ্‌যাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. রেজাউল ইসলাম রেজুর। তবে পবিত্র ওমরাহ হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে অবস্থান করায় তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি।

ইউএনও মো. রাকিবুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তানভীর হাসান, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা পলাশ চন্দ্র দেবনাথ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারব হোসেন, উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. মোজাক্কির হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. মতিউর রহমান উজ্জ্বলসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, যুব উদ্যোক্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

জানা যায়, ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট প্রাথমিক কার্যক্রম শুরুর মধ্য দিয়ে সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়। পরে ২০২৫ সালের ২৫ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে এটি। প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাহীদ এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা মো. মুন্না আহমেদ প্রাংসহ একঝাঁক তরুণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পরিচালিত হচ্ছে সংগঠনটি। স্বেচ্ছায় রক্তদানকে উৎসাহিত করা, জরুরি রক্তসংকট নিরসন এবং যুবসমাজকে মানবিক ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করাই সংগঠনটির মূল লক্ষ্য।

প্রযুক্তিনির্ভর সেবার অংশ হিসেবে সংগঠনটি নিজস্ব ওয়েবসাইটে একটি অনলাইন রক্তদাতা ডেটাবেজ তৈরি করেছে। সংগঠনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে অনলাইন ও অফলাইন মিলিয়ে ওই ডেটাবেজে ১ হাজার ৫০৭ জন রক্তদাতার তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে। এর মধ্যে ৮৭৩ জন সরাসরি অনলাইনে নিবন্ধিত। জরুরি প্রয়োজনে রক্তদাতা ও রক্তগ্রহীতার মধ্যে দ্রুত যোগাযোগের জন্য ওয়েবসাইটে চালু রয়েছে লাইভ চ্যাট সুবিধা, যা স্বেচ্ছাসেবকেরা পরিচালনা করছেন।

সরকারি নিবন্ধন পাওয়ায় সংগঠনটির সামাজিক, মানবিক ও স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম আরও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানো এবং স্থানীয় পর্যায়ে মানবিক সেবায় আরও বেশি তরুণকে সম্পৃক্ত করার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাহীদ বলেন, শুরু থেকেই রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাকিবুল হাসান তাঁদের সাহস, দিকনির্দেশনা ও অনুপ্রেরণা দিয়ে পাশে থেকেছেন। তাঁর সহযোগিতা সংগঠনের পথচলাকে আরও গতিশীল করেছে। সরকারি স্বীকৃতি তাঁদের দায়িত্ব ও কাজের প্রতি অনুপ্রেরণা বাড়িয়েছে। ভবিষ্যতে রাণীনগর ও আত্রাইয়ের গণ্ডি পেরিয়ে বৃহত্তর পরিসরে মানবিক সেবা ছড়িয়ে দেওয়াই তাঁদের লক্ষ্য।

উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ইবনু সাব্বির বলেন, তরুণদের এমন প্রযুক্তিনির্ভর মানবিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। সরকারি নিবন্ধনের মাধ্যমে সংগঠনটির কার্যক্রমের পরিধি ও গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়বে। ভবিষ্যতেও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তাদের গঠনমূলক কাজে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

ইউএনও মো. রাকিবুল হাসান বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে রক্তদাতা ও রক্তগ্রহীতার মধ্যে যোগাযোগ সহজ করার উদ্যোগটি স্থানীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সংগঠনের সদস্যদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বজায় রাখা এবং ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের কল্যাণকে প্রাধান্য দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। পাশাপাশি নতুন তরুণদের স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। সংগঠনটির যেকোনো ভালো ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে তাঁর দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

এদিকে জাতীয় যুব দিবসের অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আটজন যুবক ও যুবনারীর মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য মোট ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়। আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা যুব মেলায় উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

তরুণদের স্বেচ্ছাসেবামূলক উদ্যোগের পাশাপাশি প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সরকারি স্বীকৃতি—সব মিলিয়ে রাণীনগর সোশ্যাল ইয়ুথ অর্গানাইজেশনের এই অর্জন স্থানীয় যুবসমাজের মানবিক কর্মকাণ্ডে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Please Share This Post in Your Social Media

রক্তের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানো তরুণদের সংগঠন পেল সরকারি স্বীকৃতি

Update Time : ১০:৩২:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
Print

স্বেচ্ছায় রক্তদান ও জরুরি রক্তসংকট নিরসনে কাজ করা নওগাঁর রাণীনগরের তরুণদের সংগঠন ‘রাণীনগর সোশ্যাল ইয়ুথ অর্গানাইজেশন’ সরকারি নিবন্ধন পেয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধন সনদ পাওয়ায় সংগঠনটির কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত ও বিস্তৃত করার নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর) জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাণীনগর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংগঠনের প্রতিনিধিদের হাতে নিবন্ধন সনদ তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাকিবুল হাসান ও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ইবনু সাব্বির।

‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও যুব ঋণের চেক বিতরণের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদ্‌যাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. রেজাউল ইসলাম রেজুর। তবে পবিত্র ওমরাহ হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে অবস্থান করায় তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি।

ইউএনও মো. রাকিবুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তানভীর হাসান, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা পলাশ চন্দ্র দেবনাথ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারব হোসেন, উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. মোজাক্কির হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. মতিউর রহমান উজ্জ্বলসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, যুব উদ্যোক্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

জানা যায়, ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট প্রাথমিক কার্যক্রম শুরুর মধ্য দিয়ে সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়। পরে ২০২৫ সালের ২৫ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে এটি। প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাহীদ এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা মো. মুন্না আহমেদ প্রাংসহ একঝাঁক তরুণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পরিচালিত হচ্ছে সংগঠনটি। স্বেচ্ছায় রক্তদানকে উৎসাহিত করা, জরুরি রক্তসংকট নিরসন এবং যুবসমাজকে মানবিক ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করাই সংগঠনটির মূল লক্ষ্য।

প্রযুক্তিনির্ভর সেবার অংশ হিসেবে সংগঠনটি নিজস্ব ওয়েবসাইটে একটি অনলাইন রক্তদাতা ডেটাবেজ তৈরি করেছে। সংগঠনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে অনলাইন ও অফলাইন মিলিয়ে ওই ডেটাবেজে ১ হাজার ৫০৭ জন রক্তদাতার তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে। এর মধ্যে ৮৭৩ জন সরাসরি অনলাইনে নিবন্ধিত। জরুরি প্রয়োজনে রক্তদাতা ও রক্তগ্রহীতার মধ্যে দ্রুত যোগাযোগের জন্য ওয়েবসাইটে চালু রয়েছে লাইভ চ্যাট সুবিধা, যা স্বেচ্ছাসেবকেরা পরিচালনা করছেন।

সরকারি নিবন্ধন পাওয়ায় সংগঠনটির সামাজিক, মানবিক ও স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম আরও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানো এবং স্থানীয় পর্যায়ে মানবিক সেবায় আরও বেশি তরুণকে সম্পৃক্ত করার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাহীদ বলেন, শুরু থেকেই রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাকিবুল হাসান তাঁদের সাহস, দিকনির্দেশনা ও অনুপ্রেরণা দিয়ে পাশে থেকেছেন। তাঁর সহযোগিতা সংগঠনের পথচলাকে আরও গতিশীল করেছে। সরকারি স্বীকৃতি তাঁদের দায়িত্ব ও কাজের প্রতি অনুপ্রেরণা বাড়িয়েছে। ভবিষ্যতে রাণীনগর ও আত্রাইয়ের গণ্ডি পেরিয়ে বৃহত্তর পরিসরে মানবিক সেবা ছড়িয়ে দেওয়াই তাঁদের লক্ষ্য।

উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ইবনু সাব্বির বলেন, তরুণদের এমন প্রযুক্তিনির্ভর মানবিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। সরকারি নিবন্ধনের মাধ্যমে সংগঠনটির কার্যক্রমের পরিধি ও গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়বে। ভবিষ্যতেও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তাদের গঠনমূলক কাজে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

ইউএনও মো. রাকিবুল হাসান বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে রক্তদাতা ও রক্তগ্রহীতার মধ্যে যোগাযোগ সহজ করার উদ্যোগটি স্থানীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সংগঠনের সদস্যদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বজায় রাখা এবং ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের কল্যাণকে প্রাধান্য দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। পাশাপাশি নতুন তরুণদের স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। সংগঠনটির যেকোনো ভালো ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে তাঁর দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

এদিকে জাতীয় যুব দিবসের অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আটজন যুবক ও যুবনারীর মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য মোট ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়। আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা যুব মেলায় উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

তরুণদের স্বেচ্ছাসেবামূলক উদ্যোগের পাশাপাশি প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সরকারি স্বীকৃতি—সব মিলিয়ে রাণীনগর সোশ্যাল ইয়ুথ অর্গানাইজেশনের এই অর্জন স্থানীয় যুবসমাজের মানবিক কর্মকাণ্ডে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।