১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেসির পিএসজিতে আগমনে বদলে গিয়েছিল দলের পরিকল্পনা

Reporter Name
  • Update Time : ১০:৩৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
  • / 4
Print

লিওনেল মেসির প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ে (পিএসজি) যোগ দেওয়ার পর দলের খেলার ধরন ও পরিকল্পনায় পরিবর্তন এসেছিল বলে জানিয়েছেন মরক্কোর ডিফেন্ডার আশরাফ হাকিমি। তাঁর মতে, আর্জেন্টাইন মহাতারকার আগমনের পর ক্লাবের সামগ্রিক প্রকল্প বদলে যায়। এমনকি নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে গিয়ে মানসিকভাবেও কঠিন সময় পার করতে হয়েছিল তাঁকে। মেসির মতো বিশ্বসেরা ফুটবলারের সঙ্গে একই দলে খেলাটা বাইরে থেকে অনেকের কাছে স্বপ্নের অভিজ্ঞতা মনে হলেও হাকিমির কাছে বিষয়টি পুরোপুরি সহজ ছিল না। দলের পরিবর্তিত কৌশল, খেলার পরিবেশ এবং নিজের অবস্থান নিয়ে তৈরি হয়েছিল নতুন চ্যালেঞ্জ, যা তাঁর ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ও মানসিক অবস্থার ওপরও প্রভাব ফেলেছিল।

হাকিমি জানিয়েছেন, মেসি পিএসজিতে যোগ দিতে যাচ্ছেন, এমন কোনো তথ্য তাঁরা আগে থেকে জানতেন না। আর্জেন্টাইন তারকার আগমন সম্পর্কে খেলোয়াড়দের মধ্যে আগে থেকেই স্পষ্ট ধারণা ছিল না বলে তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে। তবে মেসি ক্লাবে আসার পরপরই দলের পরিকল্পনায় বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়। হাকিমির ভাষায়, মেসির আগমনের মুহূর্ত থেকেই প্রকল্প বদলে গিয়েছিল। অর্থাৎ শুধু নতুন একজন খেলোয়াড় দলে যুক্ত হওয়া নয়, বরং তাঁর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে দলের সামগ্রিক পরিকল্পনা ও মাঠের কৌশলেও পরিবর্তন এসেছিল। এই পরিবর্তন পিএসজির খেলোয়াড়দের জন্য নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছিল, যার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া সবার জন্য সমান সহজ ছিল না।

মেসির আগমনের পর পিএসজির খেলার ধরন তাঁর কাছে উপভোগ্য ছিল না বলেও জানিয়েছেন হাকিমি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, দলের নতুন পরিকল্পনা ও মাঠের ফুটবলীয় পরিবেশ আগের মতো স্বাচ্ছন্দ্য দিচ্ছিল না। একজন আক্রমণাত্মক মানসিকতার রাইটব্যাক হিসেবে নিজের স্বাভাবিক খেলার ধরন বজায় রাখা তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সেই স্বাধীনতা ও ভূমিকা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হয়েছিল। দলের মধ্যে একাধিক বড় তারকার উপস্থিতি থাকলেও প্রত্যেক খেলোয়াড়ের নিজস্ব সামর্থ্য এবং দায়িত্ব যথাযথভাবে কাজে লাগানো প্রয়োজন। হাকিমির অভিজ্ঞতায়, সেই সময় পিএসজির খেলার ধরন তাঁর ব্যক্তিগত পছন্দ ও প্রত্যাশার সঙ্গে পুরোপুরি মেলেনি, যা তাঁর অসন্তুষ্টির অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছিল।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে হাকিমি বলেন, সেই সময় মাঠে নিজেকে তুলনামূলক ছোট খেলোয়াড় মনে হতো। তাঁর এই মন্তব্য ফুটবলবিশ্বে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কারণ পিএসজিতে মেসির পাশাপাশি নেইমার, কিলিয়ান এমবাপ্পের মতো তারকারাও খেলেছেন। এমন তারকাবহুল দলে নিজের অবস্থান ও গুরুত্ব অনুভব করা একজন খেলোয়াড়ের জন্য কখনো কখনো কঠিন হয়ে উঠতে পারে। হাকিমির বক্তব্যে সেই মানসিক বাস্তবতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তিনি সরাসরি জানিয়েছেন, মাঠে তাঁর নিজের উপস্থিতি ও ভূমিকা নিয়ে একধরনের অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল। ফলে বিষয়টি শুধু খেলার কৌশলগত পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং ব্যক্তিগত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়েছিল।

হাকিমির মতে, পুরো পরিস্থিতি মানসিকভাবে তাঁর জন্য কঠিন ছিল। একজন পেশাদার ফুটবলার হিসেবে প্রতিটি ম্যাচে নিজের সেরাটা দেওয়ার পাশাপাশি দলের পরিকল্পনার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াও জরুরি। কিন্তু পিএসজির পরিবর্তিত খেলার ধরন তাঁর জন্য প্রত্যাশিত স্বাচ্ছন্দ্য তৈরি করতে পারেনি। মাঠে নিজেকে ছোট খেলোয়াড় মনে হওয়ার অনুভূতি তাঁর মানসিক অবস্থাকে আরও জটিল করে তুলেছিল। বিশেষ করে বড় তারকাদের উপস্থিতিতে দলের ভেতরে নিজের ভূমিকা এবং গুরুত্ব বজায় রাখার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। হাকিমির বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, শুধু ব্যক্তিগত দক্ষতা থাকলেই একটি দলে স্বাচ্ছন্দ্যে খেলা সম্ভব হয় না; বরং দলীয় পরিবেশ, কৌশল এবং মানসিক সমর্থনও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

২০২১ সালে বার্সেলোনার সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্কের অবসান ঘটিয়ে পিএসজিতে যোগ দিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। তাঁর আগমনকে ঘিরে প্যারিসের ক্লাবটিকে ইউরোপীয় ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দল হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল। মেসি, নেইমার ও এমবাপ্পের মতো তারকাদের একসঙ্গে পাওয়ায় সমর্থকদের প্রত্যাশাও অনেক বেড়ে গিয়েছিল। তবে মাঠের বাস্তবতায় তারকাদের ব্যক্তিগত সামর্থ্যের পাশাপাশি পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং দলীয় সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। হাকিমির অভিজ্ঞতা সেই বিষয়টিকেই সামনে নিয়ে এসেছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মেসির আগমনের পর দলের প্রকল্প বদলে যাওয়ায় খেলোয়াড়দের ভূমিকা ও খেলার পরিবেশেও প্রভাব পড়েছিল। ফলে প্রত্যাশিত সাফল্যের পাশাপাশি কিছু খেলোয়াড়কে মানসিক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়েও যেতে হয়েছিল।

সব মিলিয়ে, পিএসজিতে মেসির আগমন নিয়ে আশরাফ হাকিমির এই মন্তব্য ফুটবলবিশ্বে নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। একজন কিংবদন্তির সতীর্থ হওয়ার অভিজ্ঞতা যেমন বিশেষ কিছু, তেমনি তাঁর আগমনে পরিবর্তিত দলীয় পরিকল্পনার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াও সব সময় সহজ নয়। হাকিমির বক্তব্যে উঠে এসেছে সেই সময়কার ব্যক্তিগত অস্বস্তি, মাঠের অভিজ্ঞতা এবং মানসিক চাপের কথা। তবে তাঁর মন্তব্যকে মেসির ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের সমালোচনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; বরং এটি পিএসজির তৎকালীন দলীয় পরিবেশ ও কৌশলগত পরিবর্তন নিয়ে একজন খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা। বড় তারকাদের নিয়ে দল গঠনের পাশাপাশি সবার ভূমিকা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করাও যে জরুরি, তাঁর বক্তব্যে সেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

মেসির পিএসজিতে আগমনে বদলে গিয়েছিল দলের পরিকল্পনা

Update Time : ১০:৩৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
Print

লিওনেল মেসির প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ে (পিএসজি) যোগ দেওয়ার পর দলের খেলার ধরন ও পরিকল্পনায় পরিবর্তন এসেছিল বলে জানিয়েছেন মরক্কোর ডিফেন্ডার আশরাফ হাকিমি। তাঁর মতে, আর্জেন্টাইন মহাতারকার আগমনের পর ক্লাবের সামগ্রিক প্রকল্প বদলে যায়। এমনকি নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে গিয়ে মানসিকভাবেও কঠিন সময় পার করতে হয়েছিল তাঁকে। মেসির মতো বিশ্বসেরা ফুটবলারের সঙ্গে একই দলে খেলাটা বাইরে থেকে অনেকের কাছে স্বপ্নের অভিজ্ঞতা মনে হলেও হাকিমির কাছে বিষয়টি পুরোপুরি সহজ ছিল না। দলের পরিবর্তিত কৌশল, খেলার পরিবেশ এবং নিজের অবস্থান নিয়ে তৈরি হয়েছিল নতুন চ্যালেঞ্জ, যা তাঁর ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ও মানসিক অবস্থার ওপরও প্রভাব ফেলেছিল।

হাকিমি জানিয়েছেন, মেসি পিএসজিতে যোগ দিতে যাচ্ছেন, এমন কোনো তথ্য তাঁরা আগে থেকে জানতেন না। আর্জেন্টাইন তারকার আগমন সম্পর্কে খেলোয়াড়দের মধ্যে আগে থেকেই স্পষ্ট ধারণা ছিল না বলে তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে। তবে মেসি ক্লাবে আসার পরপরই দলের পরিকল্পনায় বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়। হাকিমির ভাষায়, মেসির আগমনের মুহূর্ত থেকেই প্রকল্প বদলে গিয়েছিল। অর্থাৎ শুধু নতুন একজন খেলোয়াড় দলে যুক্ত হওয়া নয়, বরং তাঁর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে দলের সামগ্রিক পরিকল্পনা ও মাঠের কৌশলেও পরিবর্তন এসেছিল। এই পরিবর্তন পিএসজির খেলোয়াড়দের জন্য নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছিল, যার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া সবার জন্য সমান সহজ ছিল না।

মেসির আগমনের পর পিএসজির খেলার ধরন তাঁর কাছে উপভোগ্য ছিল না বলেও জানিয়েছেন হাকিমি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, দলের নতুন পরিকল্পনা ও মাঠের ফুটবলীয় পরিবেশ আগের মতো স্বাচ্ছন্দ্য দিচ্ছিল না। একজন আক্রমণাত্মক মানসিকতার রাইটব্যাক হিসেবে নিজের স্বাভাবিক খেলার ধরন বজায় রাখা তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সেই স্বাধীনতা ও ভূমিকা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হয়েছিল। দলের মধ্যে একাধিক বড় তারকার উপস্থিতি থাকলেও প্রত্যেক খেলোয়াড়ের নিজস্ব সামর্থ্য এবং দায়িত্ব যথাযথভাবে কাজে লাগানো প্রয়োজন। হাকিমির অভিজ্ঞতায়, সেই সময় পিএসজির খেলার ধরন তাঁর ব্যক্তিগত পছন্দ ও প্রত্যাশার সঙ্গে পুরোপুরি মেলেনি, যা তাঁর অসন্তুষ্টির অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছিল।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে হাকিমি বলেন, সেই সময় মাঠে নিজেকে তুলনামূলক ছোট খেলোয়াড় মনে হতো। তাঁর এই মন্তব্য ফুটবলবিশ্বে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কারণ পিএসজিতে মেসির পাশাপাশি নেইমার, কিলিয়ান এমবাপ্পের মতো তারকারাও খেলেছেন। এমন তারকাবহুল দলে নিজের অবস্থান ও গুরুত্ব অনুভব করা একজন খেলোয়াড়ের জন্য কখনো কখনো কঠিন হয়ে উঠতে পারে। হাকিমির বক্তব্যে সেই মানসিক বাস্তবতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তিনি সরাসরি জানিয়েছেন, মাঠে তাঁর নিজের উপস্থিতি ও ভূমিকা নিয়ে একধরনের অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল। ফলে বিষয়টি শুধু খেলার কৌশলগত পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং ব্যক্তিগত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়েছিল।

হাকিমির মতে, পুরো পরিস্থিতি মানসিকভাবে তাঁর জন্য কঠিন ছিল। একজন পেশাদার ফুটবলার হিসেবে প্রতিটি ম্যাচে নিজের সেরাটা দেওয়ার পাশাপাশি দলের পরিকল্পনার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াও জরুরি। কিন্তু পিএসজির পরিবর্তিত খেলার ধরন তাঁর জন্য প্রত্যাশিত স্বাচ্ছন্দ্য তৈরি করতে পারেনি। মাঠে নিজেকে ছোট খেলোয়াড় মনে হওয়ার অনুভূতি তাঁর মানসিক অবস্থাকে আরও জটিল করে তুলেছিল। বিশেষ করে বড় তারকাদের উপস্থিতিতে দলের ভেতরে নিজের ভূমিকা এবং গুরুত্ব বজায় রাখার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। হাকিমির বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, শুধু ব্যক্তিগত দক্ষতা থাকলেই একটি দলে স্বাচ্ছন্দ্যে খেলা সম্ভব হয় না; বরং দলীয় পরিবেশ, কৌশল এবং মানসিক সমর্থনও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

২০২১ সালে বার্সেলোনার সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্কের অবসান ঘটিয়ে পিএসজিতে যোগ দিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। তাঁর আগমনকে ঘিরে প্যারিসের ক্লাবটিকে ইউরোপীয় ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দল হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল। মেসি, নেইমার ও এমবাপ্পের মতো তারকাদের একসঙ্গে পাওয়ায় সমর্থকদের প্রত্যাশাও অনেক বেড়ে গিয়েছিল। তবে মাঠের বাস্তবতায় তারকাদের ব্যক্তিগত সামর্থ্যের পাশাপাশি পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং দলীয় সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। হাকিমির অভিজ্ঞতা সেই বিষয়টিকেই সামনে নিয়ে এসেছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মেসির আগমনের পর দলের প্রকল্প বদলে যাওয়ায় খেলোয়াড়দের ভূমিকা ও খেলার পরিবেশেও প্রভাব পড়েছিল। ফলে প্রত্যাশিত সাফল্যের পাশাপাশি কিছু খেলোয়াড়কে মানসিক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়েও যেতে হয়েছিল।

সব মিলিয়ে, পিএসজিতে মেসির আগমন নিয়ে আশরাফ হাকিমির এই মন্তব্য ফুটবলবিশ্বে নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। একজন কিংবদন্তির সতীর্থ হওয়ার অভিজ্ঞতা যেমন বিশেষ কিছু, তেমনি তাঁর আগমনে পরিবর্তিত দলীয় পরিকল্পনার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াও সব সময় সহজ নয়। হাকিমির বক্তব্যে উঠে এসেছে সেই সময়কার ব্যক্তিগত অস্বস্তি, মাঠের অভিজ্ঞতা এবং মানসিক চাপের কথা। তবে তাঁর মন্তব্যকে মেসির ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের সমালোচনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; বরং এটি পিএসজির তৎকালীন দলীয় পরিবেশ ও কৌশলগত পরিবর্তন নিয়ে একজন খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা। বড় তারকাদের নিয়ে দল গঠনের পাশাপাশি সবার ভূমিকা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করাও যে জরুরি, তাঁর বক্তব্যে সেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।