১১:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপি নেতা ও দুই শিশুসহ একাধিক ব্যক্তিকে একের পর এক ছুরিকাঘাত, রায়পুরে আটক সেই হামলাকারী

Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৩০:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
  • / 4
Print

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ২ নম্বর উত্তর চরবংশী ইউনিয়নে ককটেল বিস্ফোরণ ও ছুরিকাঘাতের ঘটনায় বিএনপি নেতা এবাদুল্লাহ গাজী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে আটক করে গণপিটুনি দিয়েছেন স্থানীয় জনতা বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে চরবংশী ইউনিয়নের একটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ককটেল বিস্ফোরণের বিকট শব্দে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। একই ঘটনায় বিএনপি নেতা মোঃ এবাদুল্লাহ গাজী এবং আরো দুই শিশুসহ একাধিক ব্যাক্তি ছুরিকাঘাতে আহত হন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

ঘটনার পর স্থানীয় লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে স্থানীয় জনতা আটক করে মারধর করেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

তবে কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, ককটেল বিস্ফোরণের সঙ্গে কারা জড়িত এবং ছুরিকাঘাতের পেছনে কোনো পূর্ববিরোধ ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আহত বিএনপি নেতা এবাদুল্লাহ গাজীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচয় ও তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়জনগন। পাশাপাশি এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।

ঘটনার আরো বিস্তারিত তথ্য জানতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

বিএনপি নেতা ও দুই শিশুসহ একাধিক ব্যক্তিকে একের পর এক ছুরিকাঘাত, রায়পুরে আটক সেই হামলাকারী

Update Time : ০৮:৩০:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
Print

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ২ নম্বর উত্তর চরবংশী ইউনিয়নে ককটেল বিস্ফোরণ ও ছুরিকাঘাতের ঘটনায় বিএনপি নেতা এবাদুল্লাহ গাজী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে আটক করে গণপিটুনি দিয়েছেন স্থানীয় জনতা বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে চরবংশী ইউনিয়নের একটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ককটেল বিস্ফোরণের বিকট শব্দে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। একই ঘটনায় বিএনপি নেতা মোঃ এবাদুল্লাহ গাজী এবং আরো দুই শিশুসহ একাধিক ব্যাক্তি ছুরিকাঘাতে আহত হন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

ঘটনার পর স্থানীয় লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে স্থানীয় জনতা আটক করে মারধর করেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

তবে কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, ককটেল বিস্ফোরণের সঙ্গে কারা জড়িত এবং ছুরিকাঘাতের পেছনে কোনো পূর্ববিরোধ ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আহত বিএনপি নেতা এবাদুল্লাহ গাজীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচয় ও তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়জনগন। পাশাপাশি এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।

ঘটনার আরো বিস্তারিত তথ্য জানতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে।